এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ

সিলেট বোর্ডে শতভাগ পাস ৬ প্রতিষ্ঠানে, কেউ পাস করেনি ৩টিতে

post-title

ফাইল ছবি

সিলেট শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে। অন্যদিকে, তিনটি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। গত বছর শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল আটটি। আর শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান ছিল চারটি।

শনিবার সকালে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর সিলেট শিক্ষা বোর্ডের পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, শতভাগ পাস করা ছয়টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সিলেট নগরীতে রয়েছে একটি প্রতিষ্ঠান। অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থান সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলায়।

শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- সিলেট ক্যাডেট কলেজ, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের বিএএফ শাহিন কলেজ, হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জের হাজী আব্দুল হাকিম ভূইয়া হাই স্কুল এন্ড কলেজ, মাধবপুরের ছাতাইন বিশ্বনাথ হাইস্কুল এন্ড কলেজ, সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের আইডিয়াল ভিশন কলেজ, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের শাহজালাল সার কারখানা হাই স্কুল এন্ড কলেজ।
তবে এসব প্রতিষ্ঠানের কয়েকটিতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল তুলনামূলক কম।

আজমিরীগঞ্জের হাজী আব্দুল হাকিম ভূইয়া হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মাত্র একজন, মাধবপুরের ছাতাইন বিশ্বনাথ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে তিনজন এবং তাহিরপুরের আইডিয়াল ভিশন কলেজ থেকে সাতজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই পাস করেছে।

অন্যদিকে, এবার সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে তিনটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য। এসব প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

এই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- হবিগঞ্জের লাখাইয়ের মরাকরি হাই স্কুল এন্ড কলেজ, সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের আলহাজ আব্দুল মোতালেক হাই স্কুল এন্ড কলেজ এবং দোয়ারাবাজারের মিতালী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ।

বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালেও আটটি প্রতিষ্ঠান থেকে সব পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছিল। এবার সেই সংখ্যা আরও কমে ছয়ে নেমেছে। তবে গত বছর শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল চারটি। এবার এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে তিনটিতে।

এ বিষয়ে সিলেট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর বিলকিস ইয়াছমীন বলেন, ‘এবার শতভাগ পাস করেছে ছয়টা কলেজ এবং কেউ পাস করেনি এরকম তিনটা প্রতিষ্ঠান আছে। ৩ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে হবিগঞ্জে একটা প্রতিষ্ঠান, সুনামগঞ্জে দুটা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

সুনামগঞ্জে কিছুটা হয়তো রিমোট এরিয়া আছে। তথাপি ওখানে মাঝে মাঝে বাচ্চারা নিয়মিত হয়তো কলেজে যাওয়ার আশা করতে পারে না, এটা হয়তো একটা কারণ। বন্যার একটা প্রকোপ ছিল তখন।’

এসএ/সিলেট