ওসমানীনগরে বিএনপির আলোচনা সভা ও র‍্যালি

১৭ বছর জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র হয়েছে: এমপি লুনা

post-title

ছবি সংগৃহীত

জিয়াউর রহমানের নাম ও জিয়া পরিবারের পরিচয় মুছে ফেলার চেষ্টা করা ব্যক্তিরা এখন দেশে নেই বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের উত্তরসূরি তারেক রহমান তাঁর পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় ৩১ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দক্ষিণ গোয়ালাবাজারে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাঙালি জাতির জীবনে গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক সিপাহি বিপ্লবের মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসা হয়। সে সময় দেশে নৈরাজ্য ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে নেতৃত্বের অভাব এবং হতাশা বিরাজ করছিল। এমন পরিস্থিতিতে জিয়াউর রহমান দেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর জিয়াউর রহমান জাতিকে জাতীয়তাবাদের দর্শন উপহার দেন। সেই দর্শনের ভিত্তিতে বিভিন্ন ধর্ম ও পেশার মানুষকে নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠন করেন। দেশের উন্নয়নে নানা পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি ১৯ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে উন্নয়নের উদ্যোগ নেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এসব উদ্যোগ বাংলাদেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’র অপবাদ থেকে মুক্ত করতে ভূমিকা রেখেছিল।

এমপি লুনা বলেন, বিগত ১৭ বছর জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র হয়েছে এবং এ সময়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করা হয়নি। তিনি দাবি করেন, জিয়াউর রহমানের উত্তরসূরি তারেক রহমান বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। জিয়াউর রহমানের পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ৩১ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি সাবেক সংসদ সদস্য এম. ইলিয়াস আলীকে অক্ষত অবস্থায় ফিরে পাওয়ার দাবি জানান।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম.টিএম ফখর উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ মিছবাহ। বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফজল আহমদ জনি, কৃষক দলের আহ্বায়ক মুক্তার আহমদ বকুল, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রকিব আলী ও ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুয়েব আহমদ। এ সময় উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে একটি র‍্যালি বের করা হয়। দক্ষিণ গোয়ালাবাজার থেকে শুরু হওয়া র‍্যালিটি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে উত্তর গোয়ালাবাজারে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।





এসএ/সিলেট