৮ মাসে ৪৭টি মামলা : গ্রেফতার ৫২

কানাইঘাট থানা পুলিশের চোরাচালান ও মাদক বিরোধী অভিযান জোরদার

post-title

ফাইল ছবি

সিলেটের কানাইঘাট থানা পুলিশের চোরাচালান ও মাদক বিরোধী অভিযান ব্যাপকহারে জোরদার করা হয়েছে। গত ৮ মাসে থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৮টি মাদক মামলা দায়ের, মাদক দ্রব্য উদ্ধার এবং ১৭জনকে গ্রেফতার করেছে।

এছাড়াও চোরাচালান বিরোধী অভিযানে ২৯টি মামলা দায়েরের মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় চোরাইপণ্য আটক এবং চোরাচালানের সাথে জড়িত থাকার দায়ে ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গেছে সিলেট জেলা পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোঃ জাবের সাদেকের দিক নির্দেশনায়, কানাইঘাট সার্কেলের এএসপি সালমান নুর আলম ও থানার অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে থানার মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তারা মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান ব্যাপক হারে জোরদার করেছেন।

গত ৮ মাসে থানা পুলিশ ভারতীয় চোরাপণ্যের মধ্যে বিড়ি-সিগারেট ৪ লাখ ২০ হাজার শলাকা, খাদ্যপণ্যের মধ্যে ৮’শ কেজি ভারতীয় চা পাতা, ৫’শ কেজি চিনি, ১১’শ ২৫ কেজি পেঁয়াজ, ১৬’শ ৮০ কেজি জিরা, ৬০ পিস শাড়ি, ৯’শ ৩৬ ঐষধ ক্রিম, ৫’শ ৭৬ বোতল সিরাপ, ৯৯ পিস মোবিল ও ২৫টি এমআরএফ টায়ার। এসব পণ্যের বাজারমূল্যে প্রায় কোটি টাকা।

এ ছাড়াও ৪টি পিকআপ ও ১টি অটোরিক্সা (সিএনজি) গাড়ি জব্দ করে পুলিশ। অপরদিকে মাদক বিরোধী অভিযানে ১৮টি মামলায় ১৭জনকে হাতেনাতে গ্রেফতার সহ ১৪’শ ৮৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২’শ ৯৬ পিস ভারতীয় অফিসার চয়েস মদ, ১’শ ৫০ বোতল পেন্সিডিল ও ৩২০ গ্রাম গাজা উদ্ধার করে জব্দ করে পুলিশ। এসব অভিযানের পাশাপাশি থানা পুলিশের উদ্যেগে নিয়মিত মামলার সাজাপ্রাপ্ত, পলাতক, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীদের পুলিশ প্রতিনিয়ত গ্রেফতার করা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক সভা-সমাবেশ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ভিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সহ দিনরাত পুলিশ সদস্যরা মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান ও বিভিন্ন মামলার আসামীদের গ্রেফতারে আন্তরিকতার সহিত কাজ করে যাচ্ছেন। সীমান্ত এলাকার চোরাচালান প্রতিরোধ বিজিবির দায়িত্ব থাকলেও থানা পুলিশ প্রতিদিন চোরাচালান বিরোধী অভিযান করে যাচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স রয়েছে উল্লেখ করে মাদক দ্রব্য নিমূর্লে থানা পুলিশকে সকল মহলের পক্ষ থেকে সহযোগীতা করা প্রয়োজন।


এসএ/সিলেট