আদালতের নির্দেশে কানাইঘাট লোভাছড়া...
উচ্চ আদালতের নির্দেশে সিলেটের কানাইঘাট লোভাছড়া পাথর কোয়ারী এলাকায় জব্দকৃত ও স্তুপকৃত পাথর রয়েছে কিনা তা সরেজমিনে তদন্ত করেছেন তদন্ত কমিটির আহবায়ক খনিজ...
ছবি সংগৃহীত
উচ্চ আদালতের নির্দেশে সিলেটের কানাইঘাট লোভাছড়া পাথর কোয়ারী এলাকায় জব্দকৃত ও স্তুপকৃত পাথর রয়েছে কিনা তা সরেজমিনে তদন্ত করেছেন তদন্ত কমিটির আহবায়ক খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. রবিউল ফয়সাল।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১১টায় গঠিত ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সদস্যরা কোয়ারী এলাকার খুকুবাড়ি, নেহালপুর, সাউদগ্রামসহ উচ্চ আদালতের পিটিশনার আদেশ মোতাবেক সুনিদিষ্ট দাগে জব্দকৃত পাথরের স্তুপকৃত পাথর সমুহ ঘুরে দেখেন।
এ সময় তদন্ত কমিটির আহবায়ক রবিউল ফয়সালের সাথে উপস্থিত ছিলেন খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর সহকারী পরিচালক আজিজুল হক ও মাসুক উন নবী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া ফেরদৌস, কানাইঘাট সার্কেলের এএসপি সালমান নুর আলম, কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম সহ তদন্ত কমিটির সদস্যরা।
তদন্তকালে কমিটির সদস্যরা উপজেলা ভুমি অফিসের কর্মকর্তারা কোয়ারীতে থাকা জব্দকৃত স্তুপ পাথর মাপজোখ না করে অনুমানের উপর তা ঘুরে দেখেন। এরপূর্বে মের্সাস পিয়াস এন্টারপ্রাইজ খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো থেকে ৪৪ লক্ষ ২৩ হাজার ১১৩ ঘনফুট পাথর ৩ মাস মেয়াদে নিলাম নেন। নিলাম গ্রহীতার পর খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ও স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন তাকে নিদিষ্ট দাগ সমূহে রাখা নিলামকৃত পাথর বুঝিয়ে দেন। কিন্তু রিট পিটিশন মামলার বাদী পিয়াস এন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী কামরুল হাসান তুহিনের দাবি তিনি বিভিন্ন কারনে নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে নিলামকৃত সকল পাথর পরিবহণ করতে পারেননি।
এখানো তার নিলামকৃত প্রায় ২২ লক্ষ ঘনফুট পাথর নিদিষ্ট দাগ সমূহে রয়েছে। তিনি আরো সময় চেয়ে উচ্চ আদালতে ১২২০৫ নং রিট পিটিশন মামলা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট নিলামের অবশিষ্ট পাথর পরিহনের জন্য পিয়াস এন্টারপ্রাইজকে ২০দিনের সময় দেন।
কিন্তু এই অল্প সময়ের মধ্যে এত পাথর পরিহণ সম্ভব নয় বলে মহামান্য হাইকোর্টে আরো সময় চাইলে উচ্চ আদালত তার আবেদন আমলে নিয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর এক আদেশ তা প্রতিপালনের লক্ষে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালককে আহবায়ক ও বাংলাদেশ ভূতান্ত্রিক জরিপ অধিদপ্তর, সিলেট জেলা প্রশাসক ও সিলেট পুলিশ সুপার কর্তৃক মনোনীত ১জন করে প্রতিনিধি এবং সিলেট জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালককে মনোণীত করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন।
উক্ত কমিটি আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পিটিশনার আদেশ মোতাবেক দুইদিনব্যাপী তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। সরেজমিনে দেখা যায় নিলামকৃত স্থান বা দাগ সমূহে এখনো লক্ষ লক্ষ ঘন ফুট পাথর স্তুপকৃত অবস্থায় রয়েছে।
তদন্তকালে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক রবিউল ফয়সাল সহ কমিটির সদস্যদের কাছে রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, কোয়ারী এলাকার পাথর ব্যবসায়ী, পাথর শ্রমিক ও জনপ্রতিনিধিরা বলেন কোয়ারী এলাকায় এখনো সরকারের জব্দকৃত ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ ঘনফুট পাথর রয়েছে।
এসব পাথর সরকারী ভাবে নিলাম অথবা পিয়াস এন্টারপ্রাইজের পাথর থাকলে তা দ্রæত নিরসন করে এলাকার লক্ষাধিক মানুষের একমাত্র কর্মসংস্থানের মাধ্যম লোভাছড়া পাথর কোয়ারী খুলে দেওয়ার দাবী জানান।
এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির আহবায়ক খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. রবিউল ফয়সাল বলেন আমরা তদন্ত টিম উচ্চ আদালতের পিটিশনার আদেশ মোতাবেক সুনিদিষ্ট দাগে নিলামকৃত পাথর রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছি এবং উপস্থিত অনেকের লিখিত বক্তব্য নিয়েছি।
এসএ/সিলেট
উচ্চ আদালতের নির্দেশে সিলেটের কানাইঘাট লোভাছড়া পাথর কোয়ারী এলাকায় জব্দকৃত ও স্তুপকৃত পাথর রয়েছে কিনা তা সরেজমিনে তদন্ত করেছেন তদন্ত কমিটির আহবায়ক খনিজ...
কোম্পানীগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি: প্রতিষ্ঠার ২৯ বছর পর প্রথমবারের মতো সিজারিয়ান অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।...
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ বাজার থেকে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম...
সিলেটে গত সেপ্টেম্বর মাসে জেলা প্রশাসনের পরিচালিত ১৬১টি মোবাইল কোর্ট অভিযানে ৬১৩টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় মোট ৩৪ লাখ ২৩ হাজার ৮ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।...
সিলেটের বিভিন্ন সীমান্তে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিজিবির ৪৮...