রাস্তার বেহাল অবস্থা নিয়ে সিসিক প্রশাসকের সাথে সিকৃবি ভিসির ফলপ্রসূ আলোচনা

অতি দ্রুত মাদানী ঈদগা থেকে ইকো পার্ক সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ করা হবে: সিসিক প্রশাসক কাইয়ুম চৌধুরী

post-title

ছবি সংগৃহীত

মাদানী ঈদগাহ থেকে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি) হয়ে ইকোপার্ক পর্যন্ত নির্মাণাধীন আরসিসি সড়কের বেহাল অবস্থা ও চলাচলজনিত দুর্ভোগ নিরসনে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা করেছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল।

২৩ জুন (মঙ্গলবার)  নগর ভবনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সিকৃবির ভাইস- চ্যান্সেলর  প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল সড়কটির বর্তমান অবস্থা, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি তুলে ধরেন।

প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. জসিম উদ্দীন আহমেদ, প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. সামিউল আহসান তালুকদার, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. মাছুদুর রহমান এবং প্রধান প্রকৌশলী (অ.দা. ) প্রফেসর ড. মুহাম্মদ রাশেদ আল মামুন।

আলোচনা শেষে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সড়কটি দ্রুত চলাচল উপযোগী করে মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিক নির্দেশনা প্রদান করেন। একই ্সঙ্গে পানির লাইন স্থাপনের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে আরসিসি ঢালাইয়ের কার্যক্রম শেষ করার জন্য প্রকৌশল বিভাগকে নির্দেশ দেন।

বৈঠকে সিকৃবি প্রতিনিধি দল সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে আরসিসি ঢালাইয়ের আগে নির্দিষ্ট দূরত্ব পরপর ব্লক আকারে শোনালু, জারুল, কাঞ্চনসহ বিভিন্ন দেশীয় ফুলগাছ রোপণের পরামর্শ প্রদান করে।
সিসিক প্রশাসক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিদের বক্তব্য মনোযোগসহকারে শোনেন এবং বিষয়টি দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

এ সময় সিকৃবি প্রতিনিধি দল  সড়ক উন্নয়ন কার্যক্রমে আন্তরিক সহযোগিতা ও ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সিসিক প্রশাসককে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা কামনা করেন।

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সিসিক প্রশাসককে শুভেচ্ছা স্মারক হিসেবে নতুন বছরের ডায়েরি প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, ২৪ ফুট প্রশস্ত বিশিষ্ট সড়কটির দুই পাশে ৬ ফুট ফুটপাত, ট্রি-প্লান্টেশন, লাইটিং থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে এই এলাকাটি নগরবাসীর জন্য একটি প্রশান্তির স্থানে পরিণত হবে।

এসএ/সিলেট