ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উন্মোচনে পুলিশ দ্রুত অভিযানে মূল সন্দেহভাজন গ্রেফতার

post-title

ফাইল

সিলেট মহানগরীতে ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় সন্দেহভাজন বাবুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১২ আগস্ট) বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

​সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার আফজাল হোসেন জানিয়েছেন,আটক বাবুলের বয়স আনুমানিক ৪০ বছর,ঘটনার পর অভিযান দিয়ে সন্দেহভাজন বাবুল নামের একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পর তার দেওয়া তথ্যমতে মিতালি ১১১ নম্বর বাসার কাছেই একটি ঝোপঝাড়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জানা গেছে, বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে মহানগীর রায়নগর রাজবাড়ি এলাকার মিতালি ১১১ নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলায় স্বামী-স্ত্রী ও গৃহপরিচারিকার হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা বাসার ভেতর ঢুকে স্বামী-স্ত্রী ও গৃহপরিচারিকাকে কুপিয়ে খুন করে পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে গেছে বলে জানা যায়। পরবর্তীতে থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের প্রধান দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে মরদেহ দেখতে পায়। পুলিশ লাশ উদ্ধার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে প্রেরণ করেছে।

এছাড়া সকালের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুনরায় ঘটনাস্থলে যান সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম।

প্রসঙ্গত, বুধবার (১২ আগস্ট) হঠাৎকরে সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে মহানগীর রায়নগর এলাকায় মো. আব্দুস সাত্তার বাসা থেকে চিৎকারের শব্দ শোনা যায়। বাসায় অসুস্থ কেউ চিৎকার করছেন ভেবে কেউ আর এগিয়ে যাননি। সকাল ১০টার দিকে বাসার রঙের কাজের জন্য একজন মিস্ত্রি এসে ডাকাডাকি করেও সাড়াশব্দ পায়নি। এসময় পাশের বিল্ডিংয়ের দু’তলার এক ভাড়াটে দেখতে পান আব্দুস সাত্তারের বাসার দরজার নিচ দিয়ে বারান্দায় রক্ত গড়িয়ে বেরুচ্ছে। এসময় তারা দ্রুত চিৎকার-চেচামেচি করলে আশপাশের আরও লোকজন জড়ো হন। পরবর্তীতে থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের প্রধান দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে লাশ উদ্ধার করে। 

এসময় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসার একটি রুমে আব্দুস সাত্তারের ও অপর একটি রুমে সুরাইয়া ও তাহমিনার রক্তাক্ত মরদেহ পড়েছিল। বাসার দক্ষিণ দিকের একটি দরজা দিয়ে ঘাতকরা পালিয়ে গেছে বলে প্রমাণ মিলেছে। দোতলা থেকে নিচে নামার সময় রক্তের দাগও লেগেছিল সেখানে। 

জুয়ে/সিলেট