সংবাদপত্র এজেন্ট হাফিজ উল্লাহ’র মায়ের মৃত্যু, দাফন সম্পন্ন

post-title

ফাইল ছবি

সিলেটের প্রাচীন সংবাদপত্র এজেন্ট আলমগীর এন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী হাফিজ উল্লার মা সাফিয়া খাতুন আর নেই। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টায় নগরীর মিতালী আবাসিক এলাকার ১৫২ নম্বর বাসায় তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্না... রাজিউন।

মরহুমার বড় ছেলে সিলেটের প্রবীন সংবাদপত্র এজেন্ট ইসমাইল হোসেনের মৃত্যুর ৪০ দিনের মাথায় মায়ের ইন্তেকাল হলো। তাদের মৃত্যুতে পরিবারসহ স্বজন ও শুভাকাঙ্খীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মৃত্যুকালে মরহুমা সাফিয়া খাতুনের বয়স হয়েছিলো ৮৫ বছর। তিনি বার্ধক্যজনিত কারনে ইন্তেকাল করেছেন।

মৃত্যুকালে মরহুমা ৫ পুত্র ও ২ মেয়ে, নাতি, নাতনি সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। শনিবার বাদ জোহর ঝরনার পাড় জামে মসজিদে জানাযার নামাজ শেষে হযরত মানিক পীর (র.) মাজারস্থ গোরস্থানে মরহুমার মরদেহ সমাহিত হয়েছে।

জানাযার নামাজে জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, আত্মীয় স্বজন সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী উপস্থিত ছিলেন। মরহুমার ছেলে হাফিজ উল্লাহ বর্তমানে আলমগীর এন্টাপ্রাইজের সত্বাধিকারী, তৃতীয় ছেলে এডভোকেট আহসান উল্লাহ সিলেট জজকোর্টের আইনজীবি, চতুর্থ ছেলে শাহজাহান গাজী মিন্টু লন্ডন প্রবাসী, ৫ম ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন ব্যবসায়ী ও ছোট ছেলে আলমগীর হোসেন জেলরোডের রুতবাহ ইন্টারন্যাশলাল হোটেলের পরিচালক। দুই মেয়ে সাজেদা খাতুন ও রাবেয়া খাতুন গৃহিনী।

শ্রম, প্রবাসী কল্যানমন্ত্রী শোক : সিলেটের প্রাচীন সংবাদপত্র এজেন্ট আলমগীর এন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী হাফিজ উল্লাহর মা সাফিয়া খাতুনের মায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন শ্রম, প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। শনিবার এক শোক বার্তায় তিনি মরহুমার রূহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তব্য পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এসএ/সিলেট