কুয়েত বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই শহীদ দিবস উদযাপন

post-title

ছবি সংগৃহীত

কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধায় জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে । কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন, ওএসপি, এডব্লিউসি, পিএসসি এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুয়েতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিকবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সদস্যবৃন্দ এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে উক্ত অনুষ্ঠান শুরু হয়।  জূলাই শহীদ দিবস -২০২৬ উপলক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনান দূতাবাসের প্রতিরক্ষা এটাশে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জনাব রাকিবুল করিম চৌধুরী, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি ।

এরপর জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে কুয়েতে বসবাসরত বিভিন্ন পেশাজীবী ও প্রবাসী বাংলাদেশী বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের অংশগ্রহণে জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ এবং জুলাই শহীদ দিবসের তাৎপর্য বিষয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।  আলোচনা শেষে  রাষ্ট্রদূত জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষ্যে সকলের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য পেশ করেন।

রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল বীর শহীদ ও বিশেষ করে ১৬ জুলাই ২০২৪-এ রংপুরে পুলিশের গুলির বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে শাহাদাত বরণকারী শহীদ আবু সাঈদসহ সকল শহীদকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, অন্যায় ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে অবিচল সাহসের প্রতীক। 

রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে আরো উল্লেখ করেন যে, এই গণঅভ্যুত্থান আমাদের জাতীয় জীবনে ন্যায়, জবাবদিহিতা, মানবিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা এবং দেশপ্রেমকে আরও সুদৃঢ় করার প্রেরণা জোগায়। শহীদদের রক্তের ঋণ কেবল তাঁদের স্মরণ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার মধ্যে নিহিত, যেখানে প্রতিটি নাগরিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার ও সমান সুযোগের অধিকার ভোগ করবে।

রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে প্রবাসী বাংলাদেশীদের উদ্দেশ্য করে বলেন যে, প্রবাসী বাংলাদেশীরা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি এবং বাংলাদেশের গর্বিত প্রতিনিধি।

জুলাই দিবসে সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত এবং অসুস্থ জুলাই যোদ্ধাদের সুস্থতা কামনায় দোয়া ও বিশেষ মোনাজাতের করা হয়।

এসএ/সিলেট