জকিগঞ্জে সীমান্ত ভাঙন পরিদর্শনে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

post-title

ছবি সংগৃহীত

সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার কুশিয়ারা নদীর সীমান্ত ভাঙন এবং এর ফলে দেশের মানচিত্রে সম্ভাব্য পরিবর্তনের বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবুল হাছনাত হুমায়ুন কবীর।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি জকিগঞ্জ কাস্টমস ঘাটের সম্মুখ থেকে হাইদ্রাবন্দ এলাকা পর্যন্ত নদীর সীমান্ত ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ভাঙনের প্রকৃতি এবং এর প্রভাবে সীমান্ত ও মানচিত্রের পরিবর্তনের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেন।

স্থানীয়দের মতে, দেশের অন্যান্য নদীভাঙনের তুলনায় জকিগঞ্জের সীমান্তবর্তী কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের প্রভাব ভিন্ন। এখানে নদীভাঙনের ফলে সীমান্তবর্তী ভূমি বিলীন হলে তা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয় না। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত একটি ২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ২,৬০০ একর ভূমি নদীভাঙনের কারণে ভারতের দিকে চলে গেছে বলে দাবি করা হয়।

সম্প্রতি জকিগঞ্জ–কানাইঘাট আসনের সংসদ সদস্য মুফতী আবুল হাসান জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে জকিগঞ্জের সীমান্ত ভাঙন এবং দেশের মানচিত্রে এর প্রভাবের বিষয়টি তুলে ধরেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন, জকিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজিত কুমার চন্দ, জকিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সামুয়েল সাংমা, বিজিবির সুবেদার মো. শাহ আলম, জকিগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সুজন মিয়া, জকিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মুন্না, কোষাধ্যক্ষ কে এম মামুনসহ বিজিবি, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


এসএ/সিলেট