সুনামগঞ্জ ১ কোটি টাকার ভারতীয়...
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১ কোটি ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ শাড়ি, থান কাপড়, লেহেঙ্গা এবং চোরাচালানে ব্যবহৃত ২টি...
সভাপতি মনোনয়নে গোপনে অন্য ব্যক্তির নাম প্রস্তাব, সরকারি সম্পদ বিক্রি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ; তদন্তের আশ্বাস শিক্ষা কর্মকর্তার
সংগৃহীত
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ২৮ নম্বর রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে প্রতারণাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছা. নাজমা বেগমের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় গত ১৩ জুলাই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পক্ষে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন কালারুকা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সাজ্জাদুর রহমান।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২৩ জুন অভিভাবক ও শিক্ষকবৃন্দের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে সাজ্জাদুর রহমানকে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে অনুরোধ করা হয়।
কিন্তু তিনি গোপনে অন্য একজনকে সভাপতির প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। এর আগে ওই ব্যক্তির সন্তানকে গোপনে বিদ্যালয়ে ভর্তি করান। অভিযোগকারীদের দাবি, চলতি শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকে ওই শিক্ষার্থীর ভর্তি-সংক্রান্ত কোনো তথ্য ছিল না। পরে ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবকের নাম সভাপতি পদে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অতীতেও বিভিন্ন অনিয়ম, অপকর্ম ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগ রয়েছে, যা শিক্ষা অফিসের স্মারক নং–৬০৭/২০২৪ অনুযায়ী তদন্তাধীন। এছাড়া বিদ্যালয়ে তাঁর স্বামীর সঙ্গে সংঘটিত এক বিরোধের ঘটনায় পুলিশকে ঘটনাস্থলে যেতে হয়েছিল বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই বিদ্যালয়ের পুরোনো আলমারি, সিলিং ফ্যান, বইপুস্তকসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র বিক্রি করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও আনা হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডে বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যেকোনো সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে।
অভিযোগকারীদের দাবি, ওই শিক্ষিকা একই গ্রামের হওয়াতে তাঁর স্বামীর পক্ষ নিয়ে গোষ্ঠীগতভাবে তিনি গ্রাম্য রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েছেন। এছাড়া সরকারি চাকরির প্রভাবে তিনি গ্রামের প্রতিপক্ষ ও তাদের স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। এতে যে কোনো সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে গ্রামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। বিধায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাঁকে অন্যত্র বদলি করা একান্ত জরুরি বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছা. নাজমা বেগম বলেন, “এসব তাদের ভুল বোঝাবুঝি। আমি ব্যক্তিগতভাবে বা গোপনে কারও নাম প্রস্তাব করিনি। শিক্ষার্থী ভর্তিও নিয়ম অনুযায়ী এবং সময়মতোই করা হয়েছে। বিধি মোতাবেক শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বাকিটা কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবেন। এছাড়া একজন সদস্যের ডাক নাম ‘লিপি’, কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তাঁর যে নাম, সেটাই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
টিএ/ছাতক
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১ কোটি ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ শাড়ি, থান কাপড়, লেহেঙ্গা এবং চোরাচালানে ব্যবহৃত ২টি...
সুনামগঞ্জের ছাতকের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে দুটি বাংলা ড্রেজার জব্দ এবং দুইজনকে আটক করেছে ছাতক নৌ পুলিশ...
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার...
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে পুলিশের অভিযানে দুই মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জগন্নাথপুর থানা পুলিশের একটি দল অভিযান...
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়ন এলাকায় ইজারা ব্যতীত অবৈধভাবে মরা চেলা নদী থেকে কোটি কোটি টাকার বালু উত্তোলনের অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। নদের...